সরাসরি প্রধান সামগ্রীতে চলে যান

পোস্টগুলি

বিস্ময়কর জায়গা লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

নীলনদের সকল রহস্য উদ্ধার

নীলনদ এর সকল রহস্য উদ্ধার        আফ্রিকা মহাদেশের একটি নদী নীলনদ, চিত্র: নীল নদ    এটি   বিশ্বের দীর্ঘতম নদী। প্রাচীন মিশরীয় সভ্যতা এই   নীল নদের তীরে গড়ে উঠেছে , নীলনদের পলি   আফ্রিকার মরুভূমি কেও উর্বর চাষাবাদের   উপযোগী করে তুলেছে। সুপ্রিয় জল , খাদ্য   চাষাবাদের জন্য হাজার হাজার বছর ধরে এই   অঞ্চলের মানুষ নদীর উপর অতিমাত্রায়   নির্ভরশীল। আজকে আমাদের এই পোস্টটিতে   জানবো পৃথিবীর দীর্ঘতম নদী নীলনদ সম্পর্কে।   নীলনদের বহমান জায়গা:   আমাদের পৃথিবীর প্রাকৃতিক পরিবেশের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ উপাদান নদী। নদীকে কেন্দ্র করে সারা পৃথিবীতে গড়ে উঠেছে বহু মানব সভ্যতা এবং নগরী। দূরবর্তী জায়গা এবং অঞ্চল থেকে মানুষের জন্য পানি বহন করে নিয়ে আসে নদী। সেই প্রাচীন থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত আধুনিক সভ্যতা গুলো নদীর পাশে গড়ে উঠেছে। প্রতিটি নদীর ভৌগোলিক গতিপথ ও পানি প্রবাহের নিজস্ব ধরনের কারণে একটি নদীর সাথে আরেকটি নদীর ভৌগলিক তুলনা করা সহজ কাজ নয়। পানি প্রবাহের দিক থে...

সমুদ্র থেকে সাহারা মরুভূমি(From the sea to the Sahara Desert)

আমাদের পৃথিবীর সবচেয়ে বড় মরুভূমি সাহারা এই গ্রহের সবচেয়ে উষ্ণতম স্থান। কয়েক কোটি বছর আগে এই মরুভূমির জায়গায় ছিল টেথিস সাগর।একটি সাগর কিভাবে সবচেয়ে বড় মরুভূমি তে রুপান্তরিত হল তা জানবো আমাদের আজকের এই পোস্টটিতে। Sahara desert সাহারা মরুভূমি সম্পন্ন ভারতবর্ষের তিন গুন বড়। সাহারা মরুভূমি বারোটি দেশ জুড়ে বিস্তৃত। দেশগুলো হলো মিশর, মরক্কো ,লিবিয়া, মালি, মৌরিতানিয়া, আলজেরিয়া, চাদ, ইরিত্রিয়া ,নাইজার, সুদান, তিউনিসিয়া এবং পশ্চিম সাহারা। সমগ্র আফ্রিকা মহাদেশ পৃথিবীর একটি টেকটনিক প্লেটের উপর অবস্থিত। অতীতে আফ্রিকা এবং ইউরোপের মাঝে ছিল টেথিস সাগর। চার কোটি বছর আগে টেকটনিক প্লেট এর গতিশীলতার ফলে তা উত্তর দিকে চলে আসে এবং আফ্রিকা ও ইউরোপকে একসাথে মিলিয়ে দেয়। ফলে আফ্রিকার উত্তরাংশ সংকুচিত হয়ে সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে অনেক উপরে উঠে যায়। এরপর ধীরে ধীরে জনবিচ্ছিন্ন হয়ে, এই এলাকা মরুভূমিতে পরিণত হয়। Map of the Sahara Desert মিশরের রাজধানী কায়রোর থেকে মাত্র দেড়শ কিলোমিটার দূরে সাহারা মরুভূমির একটি অংশের নাম ওয়াদি আল হিতান। আরবি ভাষায় ওয়াদি আল ফিতান অর্থ তিমির উপত্যকা। প্রায় 36 লক্ষ বছর...

পিরামিডের রহস্য (Mystery of the Pyramid)

  হাজার হাজার বছর ধরে পিরামিড ছিল বিশ্বের সবচেয়ে বড় স্থাপনা, বর্তমান যুগের বিশাল বিশাল যন্ত্র ব্যবহার করেও এই পিরামিড নির্মাণ করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ । পৃথিবীর সপ্তম আশ্চর্যের সবচেয়ে প্রাচীনতম নিদর্শন পিরামিড সম্পর্কে জানবো আজকের এই পোস্টটিতে। প্রাচীন মিশরীয় শাসকদের নাম ফারাও , পিরামিড হল ফারাওদের পুনর্জন্মের প্রবেশদ্বার । মিসরীয়রা মনে করত ফারাওরা মৃত্যুর পর মৃতদের রাজা হিসেবে শাসন করতো।ফারাওদের মৃত্যুর পর যত দিন তাদের দেহ সংরক্ষণ করা যাবে, ততদিন তারা স্বর্গে বসবাস করবে। সেজন্যই মৃত ফারাওদের দেহ পিরামিডের ভিতরের সংরক্ষণ করা হতো। মিশরে ছোট-বড় মিলিয়ে প্রায় 80 টি পিরামিড রয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় পিরামিড হলো গিজা মালভূমি তে অবস্থিত খুফুর পিরামিড। এটি 4700 বছর আগে নির্মিত , খুফুর পিরামিডের আয়তন 6 টি ফুটবল মাঠের সমান, এবং উচ্চতায় 42 তালা বিল্ডিং এর মত উঁচু। আইফেল টাওয়ার নির্মাণ এর পূর্বে ৮ হাজার বছর ধরে পিরামিড ছিল বিশ্বের সবচেয়ে বড় স্থাপনা। পিরামিড তৈরিতে 20 লক্ষ পাথরের ব্লক ব্যবহার করা হয়েছে। এই ব্লগগুলো 500 মাইল দূর থেকে পিরামিডে নিয়ে আসা হয়েছে। আড়াই থেকে 50 টন এর ...